অস্ফুট সেই বিরঙ্গায় বাহির থেকে একটুখানি উদ্দীপক স্বরক্ষেপ না ঘটলে শেষ পর্যন্ত কোনো আলোই জ্বলে ওঠে না। এরকমই একটি প্রত্যাশামদির সন্ধিক্ষণে সংবাদ প্রতিদিন-এর উষ্ণ আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে নিজেরই মনের কোণের বাইরে এসে দাঁড়িয়ে ছিলেন যৌবনবাউলের কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত। এইভাবেই সূচিত হয়েছিল পুথিপট (১৯৯৫ থেকে এই মিলেনিয়ামের প্রাক্-প্রহর পর্যন্ত)। সময়সচেতন শিল্পসংস্কৃতি এবং বাঁচার বিশ্বব্যাপী আয়োজন-অভিজ্ঞানের পাশাপাশি এদের কোনো-কোনোটিতে ধরা আছে টুকরো স্মৃতি-পাঠের পরমুহূর্তেও যারা মিলিয়ে যায় না স্ফুলিঙ্গ হয়ে। প্রচলিত কোনো সাহিত্য সংজ্ঞা সিলমোহরেই তকমায়িত করা যাবে না এই স্বগত-বিশ্বগত প্রস্বরপুঞ্জ। বাংলা সাহিত্যে অভিনব সংযোজন এই নিরুপম মিতালেখ্যগুলি। খণ্ডশ প্রথম প্রকাশের পর এবার অখণ্ড অবয়বে পুনর্নর্বায়িত হল প্রতিভাস-পুথিপট।
তখন ওরা কেউ কাউকে চিনত না। চেনাচেনি হল দেশ থেকে দূরে
দিগন্তের ক্যানভাসে রেখে যায় স্পষ্ট উচ্চারণ। নিঝুম এক পাহাড় লাইনকে শর্মিলা উৎসর্গ করেছেন অক্ষরের ফসল।
আকার (cm) : 14 (l) X 22 (b) X 1
আকার (cm) : 16
আমার ভিতর ঘর করেছে লক্ষ জনায় ঊর্মিলা চক্রবর্তী অস্ফুট সেই বিরঙ্গায় বাহির থেকেAmar Vhitar Ghar Koreche Lakkha Jonay : : 664 , , , ? , , ! , ! , , , , , , , , , , , , , , , , , , (mm): 160 (l) X 23. 5 (b) X 40 (h)