কষ্ট করে এসে তাঁর যা দরকার চিরকুটে লিখে যেন পাঠিয়ে দেন। শ জানতে পারেন চিরকুটে লেখা তাঁর সই বিক্রি করে গরিব পোস্টমাস্টার কিছু উপার্জন করেন। ক-জনই বা জানেন ফরমায়েশি লেখাও অনেক সময় অবিস্মরণীয় সৃষ্টি হয়ে ওঠে। এক বিবাহবাসরে অভিনীত হওয়ার জন্য শেকসপিয়র লিখেছিলেন ‘মিডসামার নাইট্স্ ড্রীম’। এরকম একটি বই পড়ে সাধারণ মানুষ যেমন সাহিত্যের অনেক কিছু জেনে ফেলেন
পলাশপুর নামে সেই একটা গ্রাম। মানিক থাকে সেখানে। আছেন ভটচাজ মশাই
তার দ্বারস্থ হয়ে কল্পিত ঘটনার মধ্যে বিতর্কের ঘটা-কে প্রশ্রয় না-দেওয়াটাই যথার্থ বলে মনে হয়। এ ছাড়া এমন বিতর্ক নিঃসন্দেহেই কাল-কালান্তর ধরেই প্রবহমান বলা যায়। বাংলা প্রবন্ধের ধারাবাহিক ইতিহাসে বইটি মর্যাদার সঙ্গে সংযোজিত হবে।
আবার কখনও লন্ডনের ফ্যাশানেবল চেলসি পাড়া দিয়ে যেতে যেতে থমকে পরেছেন লেখকের একটা প্রশ্নে। কারণ প্রশ্নটা ওঁর স্ত্রী অন্নপূর্ণাকে নিয়ে
এখানে নিজের কিছু প্রিয় কবিতা নিয়ে তাঁর অনুভূতি জানিয়েছেন জয় গোস্বামী। এক একটি কবিতা ধরে ধরে জানিয়েছেন-কেন এই বিশেষ কবিতাটি এই মুহূর্তে ভালো লাগছে তাঁর। কবিতাটির বিশেষ বিশেষ লাইন
বিহানরাতের বন্দিশ অরুণকুমার বসু কষ্ট করে এসে তাঁর যাBihanrater Bandish : : 64 , ' , , , ' ' ' , , ' ' , ' (cm) : 14. 5 (l) X 22 (b) X 1. 3 (h)