তা হলে অধুনান্তিক নিঃসন্দেহে সাজানো বাগানের পরের স্টপ। প্রসঙ্গত
তার অভিমুখ আর অন্তর্ভুমি নিয়ে তেমন অনুসন্ধিৎসু গবেষণা হয়নি। এ-বইয়ে সেই অভাব সম্পূরণ করবার এক সৃজনগত প্রয়াস করা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ-দ্বিজেন্দ্রলাল-রজনীকান্ত-অতুলপ্রসাদ-নজরুল সকলের গানই এসে গেছে নমুনাসূত্রে। লালনগীতির বাণীও তার সাথে সাথসংগত করেছে। গানের ভিতর দিয়ে এ বইয়ের রচনাধারা অবলোকন করতে চায় বাংলা গানের হাজারদুয়ারি বিস্তার। তবে তার সূচিমুখ তর্কাতীতভাবে রবীন্দ্রসংগীত আর তাই নিয়ে দ্বিরালাপ।
প্রযুক্তির উৎকর্ষে নতুন ঢঙে সেজেছে দুনিয়া
নাটক ও চলচ্চিত্রে এর প্রয়োগ ও সংজ্ঞা নিরুপণ জরুরী হয়ে পড়ল। পরে বিশেষ করে ১৮৯৫ সালে চলচ্চিত্রের প্রথম প্রদর্শনের সাথেই যান্ত্রিক পুনঃপ্রদর্শনের (ওয়াল্টার বেঞ্জামিন) মাধ্যমে বাস্তবতা পেয়ে গেল এক নতুন মাত্রা। এর কিছুদিনের মধ্যে বার্জা আমাদের জানিয়ে দিলেন-ক্যামেরার মাধ্যমে চলচ্চিত্র বাস্তবতার হুবহু প্রতিচ্ছবি তুলে ধরতে পারার মাধ্যমে মানুষের স্থান ও সময়কে ধরে রাখার বহু পুরোনো ইচ্ছা পূর্ণ হল। বলার অপেক্ষা রাখে না চলচ্চিত্রের এই বাস্তবতা তথা সাধারণ মানুষের চারপাশে ঘটে যাওয়া প্রাত্যহিক ঘটনা বা জীবনকে জীবনের মতো দেখানোর যে প্রয়াস চলছে সে-সম্পর্কে লেখকের গভীর চিন্তা ও গবেষণার সমায়িত প্রত্যাশা জ্ঞানের ফলে এই মূল্যবান গ্রন্থটি রচিত হতে পেরেছে।
কবিতা ও সাহিত্যের অন্যান্য ধারা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে লিখেছেন অত্যন্ত জরুরি কিছু প্রবন্ধ। সেইসব প্রবন্ধেরই সংকলন এই গ্রন্থটি। কবিতা নিয়ে বাংলাভাষায় মননশীল প্রবন্ধের অভাব যারা অনুভব করেন
মায়াবতী ড. আশিস বসুমল্লিক তা হলে অধুনান্তিক নিঃসন্দেহে সাজানোMayabati : : , , , : , : , , , , , , : 22. 7 (h) 15 (w) 3 (d)